সহজেই আমি বিশ্বাস করে ফেলি। প্রতিটি প্রভাতের মতো, রক্তে আমার এ বড় নেশা! বুঝিনা কেনো আমার এরকম হয়-
বিশ্বাস করতে চাইনা বলেও, সকল প্রতিজ্ঞার নিকট আমি বারবার হেরে যাই! পরাজিত সৈনিকের মত লুটিয়ে পড়ে, আমার সকল বিশ্বাস-আশ্বাস। জানি হেরে যাওয়া আমার জন্যে কতটা ক্ষতির কারণ। কারণগুলো বর্ণনা করতে আমার গা-শিউড়ে ওঠে না বলার ব্যথা তনুতে-অণুতে।
বুঝিনা, কেনো আমার এরকম হয়। যে রকম সহনশীলতা আমার একদম নেই! চৈত্রের ডালে ঝরা পাতার মতো আলতো বাতাসেই ঝরে যাই! আমার সকল বিশ্বাস সূতো কাটা ঘুড়ির মতো উড়তে থাকে, দিগবিদিক দুয়াশার মগডালে। বেদনার বেনোতে পুড়তে থাকে সারাটি অন্ধকার! যতটা সহজে বিশ্বাসের ঘর সাজায়, ততটা সহজে আর কাছে থাকতে পারিনা। বিরহের অনলে জ্বলে-জ্বলে পুড়তে থাকে আমার স্বপ্নের পরতে-পরতে!
আমি হেরে যাই বিশ্বাসের কাছে। দূরে চলে যাই একে একে আমার আশা, ভালোবাসা! দু-চোখ ভরা স্বপ্নের উঠোনে- ব্যথা ভরা ধূসর আঁধার অমবশ্যার চাঁদের মলিনতা খেলা করে। তীর হারা গন্তব্যহীন মাঝির, বুক ফাঁটা নিরব বেদনার উদাসীন বেনোজল…. এতোটা সহজে বিশ্বাস করে ফেলি কেনো? কেনো বিশ্বাসের মায়াজালে পুড়ি বারবার? আমি কার কাছে সুধাবো এ আমার নেশা- না’কি দূর্ভাগ্যের একটি অংশ…